পুনর্মিলনীর পর এবার শাবি অ্যালামনাই গঠনের আহ্বান

পুনর্মিলন উৎসব আয়োজনের পর এবার দ্রুত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সাবেক শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ইন্দিরা রোডে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথিশালায় এক বৈঠকে তারা এ দাবি জানান। এতে পুনর্মিলন উৎসবের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি ক্লাব গঠনেরও সিদ্ধান্ত হয় বলে পুনর্মিলন উৎসব কমিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রথম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয় গত ৯ থেকে ১১ ফেব্র“য়ারি।

উৎসব কমিটির সদস্য সচিব সুশান্ত দাস গুপ্ত বৃহস্পতিবারের বৈঠকে বলেন, শিক্ষার্থীদের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন থাকলে এবারের পুনর্মিলন উৎসব আয়োজন করা আরো সহজ হতো।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি ক্লাব গঠনেরও সিদ্ধান্ত হয়েছে বৈঠকে। প্রাথমিক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদধারী ১০১ জনকে এই ‘সাস্ট ক্লাব’- এর উদ্যোক্তা হিসেবে গ্রহণ করা হবে। এ ব্যাপারে আগ্রহীদের sustclub@gmail.com- এই ঠিকানায় যোগাযোগের অনুরোধ করা হয়েছে।

bdnews24.com
প্রথম আলো
banglanews24.com
দৈনিক উত্তরপূর্ব
fairnews24.com
cninews24.com

অনলাইন আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা

SUST REUNION 2012 এ অনেকেই অনেক ধরনের ছবি তুলেছেন। এই ছবিগুলো দিয়ে একটি অনলাইন আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা করলে কেমন হয়? আমাদের www.sustreunion2012.com এই ওয়েবসাইটে ফাইনালী ভোটের মাধ্যমে সেরা তিন ছবি নির্বাচন করা যেতে পারে! এনি নিঊ আইডিয়া?

বন্ধু কী খবর বল…

পুনর্মিলনী আয়োজনে শিক্ষার্থীদের আড্ডা

‘দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিশ্ববিদ্যালয়-জীবনের সহপাঠী ও বন্ধুরা একত্র হয়েছি, এটা এক অসাধারণ অনুভূতি। এ উৎসবের আয়োজন হওয়ায় ক্যাম্পাসের বন্ধুরা জড়ো হওয়ার সুযোগ পেলাম।’ এভাবেই নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন সুদূর কানাডা থেকে ছুটে আসা নাসিম সাইদী। শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী তিনি।

আরেক সাবেক শিক্ষার্থী ফরিদ আলম যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে এসেছেন।

উচ্ছ্বসিত হয়ে তিনি বলেন, ‘অনেক স্মৃতি এ ক্যাম্পাসকে ঘিরে। এ রকম আয়োজন না হলে হয়তো এভাবে অনেকের সঙ্গে দেখা হতো না।’ শুধু নাসিম কিংবা ফরিদ নন, দেশ-বিদেশ থেকে শত শত শিক্ষার্থী জড়ো হয়েছিলেন ক্যাম্পাসে। উপলক্ষ ৯, ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী উৎসব। ‘ক্যাম্পাসের সহপাঠীরা একত্র হয়েছি। কত স্মৃতি জড়িয়ে আছে এ ক্যাম্পাসে। ক্যাম্পাস জীবনটা অসাধারণ ছিল! আবার সেই দিনগুলোয় ফিরে যেতে পারলে খুবই ভালো লাগত।’ এভাবেই নিজের অনুভূতির কথা জানালেন তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী ও ব্যাংক কর্মকর্তা আবিদা সুলতানা।

মাহবুবে সোবহানী আল্লামা ও তাহমিনা আহমেদ দুজনই ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী, সহপাঠী ও বন্ধু। এ উৎসবে তাঁরা সহপাঠী হিসেবে নন, এসেছেন দম্পতি হিসেবে। ‘দুই রকম অনুভূতি কাজ করছে। ক্যাম্পাসের দিনগুলোয় এক রকম আর আজ দম্পতি হিসেবে এসে অন্য রকম।’ বললেন এ সহপাঠী-দম্পতি।

পুনর্মিলনীর প্রথম দিন বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যান্ডবল গ্রাউন্ডে দুপুরে শুরু হয় স্বাগতপর্ব।

এতে অন্যদের মধ্যে স্মৃতিচারণা করে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী, উপাচার্য মো. সালেহ উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাস, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের প্রধান মুহম্মদ জাফর ইকবাল, শিক্ষক সমিতির সভাপতি কবির হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী অধ্যাপক নাজিয়া চৌধুরী, পুনর্মিলনী কমিটির সদস্যসচিব সুশান্ত দাশগুপ্ত, দ্বিতীয় ছাত্রসংসদের সাধারণ সম্পাদক হারুন রশীদ, চতুর্থ ছাত্রসংসদের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত দর্শকদের মাতিয়ে রাখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন শিকড়, দিক থিয়েটার, মাভৈঃ আবৃত্তি সংসদ, থিয়েটার সাস্ট, আজ মুক্তমঞ্চ ও শিল্পী বারী সিদ্দিকী।

শীতের রাতের হিমেল হাওয়া আর এক আনন্দস্মৃতি নিয়ে বিদায় নিতে থাকেন একে একে। এর মধ্যে কোনো একজন গেয়ে ওঠেন আর অন্যরা সুর ধরেন ‘দেখা হবে বন্ধু কারণে অকারণে, দেখা হবে বন্ধু…।’

//প্রথম আলো//

পুনর্মিলন উৎসবে মুখরিত শাবিপ্রবি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস তিনদিন ধরে ছিল নবীন-প্রবীণ শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখরিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রথম এই পুনর্মিলন উৎসবের শেষদিন শনিবার সকাল থেকে ছিল নানা আয়োজন।

১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯১ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়। এরও ২১ বছর পর এবারই অনুষ্ঠিত হয় শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলন উৎসব।

আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব সুশান্ত দাশগুপ্ত বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এ আয়োজন মাইলফলক হয়ে থাকবে আগামী প্রজন্মের জন্যে। অনেক বছর পরও আমরা প্রত্যেকেই দেখব পুনর্মিলনীর এই স্মৃতি আমাদের মনের মণিকোঠায় ক্রিস্টালের আধারে বন্দি।”

উৎসবের নিয়মিত আয়োজনে শনিবারও ছিল জব ফেয়ার। এছাড়া ছিল কার্টুন, জ্যোতিবিদ্যা সম্পর্কিত আলোকচিত্র, সাধারণ আলোকচিত্র ও মুখোশ প্রদর্শনী।

সকাল থেকে ক্যাম্পাস জুড়ে সাবেক শিক্ষার্থীদের দল বেঁধে ছবি তুলতে দেখা যায়। একাডেমিক ভবনগুলোয় বসে বিভাগভিত্তিক পুনর্মিলনী। এতে নতুনরা বরণ করে নেয় বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের।

দুপুরের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে বসে স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠান। এতে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষাজীবনের গল্পগাথা তুলে ধরতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির আয়োজনে বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় হ্যান্ডবল গ্রাউন্ডে হয় রম্য বিতর্ক। আর সন্ধ্যার পর রয়েছে বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্যান্ডের কনসার্ট।

এরপর র‌্যাফেল ড্র-এর মধ্য দিয়ে শেষ হবে তিনদিনের এই উৎসব।

অনলাইন সংবাদপত্র বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এই পুনর্মিলনী উৎসবের মিডিয়া পার্টনার।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/এমএইচপি/ডিডি/১৭৫১ ঘ.

শাবির প্রথম পুনর্মিলনী উৎসব শুরু

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম পুনর্মিলনী উৎসব শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হ্যান্ডবল গ্রাউন্ডে প্রথম উপাচার্য অধ্যাপক ড. ছদরুদ্দিন আহমদ চৌধুরী তিনদিনব্যাপী এ উৎসবের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ছদরুদ্দিন আহমদ বলেন, আজ থেকে ২১ বছর আগে দেশের প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় পথ চলা শুরু করে। এই বিশ্ববিদ্যালযের খ্যাতি আজ দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের প্রযুক্তি খ্যাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

“পুনর্মিলনী উৎসবে ক্যাম্পাস নতুন রূপে জেগে উঠেছে। এ উৎসব নতুন পুরাতনে সেতু বন্ধন তৈরি করবে”, যোগ করেন তিনি।

অধ্যাপক মুহাম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, “শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় দেশের একটি মডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছে। মোবাইলে ভর্তি প্রক্রিয়া, সেমিস্টার পদ্ধতি, তারবিহীন ইন্টারনেট ব্যবহারসহ অনেক পদ্ধতি যা শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শুরু হয়েছে।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন- শিকড়, দিক থিয়েটার, থিয়েটার সাস্ট, আজ মুক্ত মঞ্চ, মাভৈঃ আবৃত্তি সংসদের পরিবেশনা শুরু হয়। রাতে গান গাইবেন বারী সিদ্দিকী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ উদ্দিন, কোষাধ্যাক্ষ অধ্যাপক ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাস, এস এম সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক নাজিয়া চৌধুরী প্রমুখ।

দেশের প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯১ সালে এর একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/আরএ/১৭৪২ ঘ.